সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি;
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি;
আমজনতার মধ্যে আর যাই হোক অন্তত সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মনোভাবের কোনই অভাব নেই।
যদি থাকত, তাহলে হিন্দু শ্রী গোপাল দাস দাদার দোকানের কর্মচারী হয়ে, মুখভর্তি দাড়িয়ালা,
পাঁচ ওয়াক্তের নামাজ আদায়কারী ও ইসলাম ধর্মের সকল ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলা ও সকল ধর্মীয় বিধিবিধান পালনকারী একজন মুসলমান.সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি;
মোঃ নইমুদ্দিন খাঁ,
হিন্দু গোপাল দাস দাদার দোকানে বসে,তার দোকানদারি দেখাশোনা ও পরিচালনা করতেন না।
গোপাল দাস দাদাও মোঃনইমুদ্দিন খাঁ–কে
সে সুযোগ করে দিতেন না।
হিন্দু শ্রমিকেরা মুসলমানদের শ্রমিকগীরি এবং মুসলমান শ্রমিকেরা হিন্দুদের শ্রমিকগীরি করতেন না।
ডক্টর শাহ সুলতানসহ অসংখ্য মুসলিম গুনীজন সাহিত্যিক,কবিগণ হিন্দুদের বাণী, দেব—দেবীর প্রশংসা নিয়ে লেখা—লেখি করতেন না। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি;
একইভাবে অসংখ্য হিন্দু প্রথিতযশা খ্যাতিমান কবি—সাহিত্যিকগণ মুসলমানদের প্রশংসনীয় বীরগাথা নিয়ে কিছু লিখতেন না।
হিন্দু বদি,বরুণ, শ্যামল এর চায়ের স্টলে চা পানের জন্য মুসলমানরা ভীড় জমাতেন না।
অতএব ভেবে দেখা দরকার বা প্রয়োজনে গবেষণা করে দেখা দরকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অবনতির মূলে কে বা কারা বা কোন গুস্টি!
কার হীনস্বার্থ হাসিলের জন্য তারা এসব করছেন!
এখনই শক্ত হাতে বন্ধ করা হোক এর বিষবাষ্প নিঃসরণ। নচেৎ,প্রকট আকারে ছড়িয়ে পড়লে তা প্রতিরোধ করা খুবই দূরহ ও কঠিন হয়ে পড়বে।
পরিশেষে বলি,মানুষে মানুষে ঘৃণা বন্ধ হোক, ধর্মের খোলসের বাইরে এসে,নিজ নিজ ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা,ভালবাসা ও বিশ্বাস রেখে একে অপরকে মানুষ হিসেবে ভালোবাসতে শিখি সবাই!তাহলে,সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি;
কতোই না আনন্দদায়ক, সুখকর ও মধুময় হতো,
এ ধরণী!
আমি মনে করি, যেকোন ধর্মের প্রকৃত খাঁটি ধার্মিকের দ্বারা কখনোই অন্যের ধর্মের প্রতিকুলতার সৃষ্টি হতে পারে না।
স্মরণীয় যে,ধর্ম নিয়ে কামড়াকামড়ির মাঝে শুধুই,
"বাড়ছে জনসংখ্যা,কমছে মানুষ!"
No comments